Home / Entertainment / আমি হবো আমেরিকার প্রথম মুসলিম প্রেসিডেন্ট

আমি হবো আমেরিকার প্রথম মুসলিম প্রেসিডেন্ট

ইউসুফ দাউড়। যার বয়স মাত্র ১৪ বছর। এই কিশোর বয়সেই ইউসুফ স্বপ্ন দেখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম প্রেসিডেন্ট হবার। ইউসুফ যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় বসবাস করে। সে ও তার পরিবার যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। ইউসুফ ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হবার জন্যে তার পরিকল্পনা ও প্রচারণা শুরু করেছে। বিবিসির এক ভিডিও বার্তায় ইউসুফকে নিয়ে তথ্যচিত্র প্রকাশ করা হয়েছে। ওই ভিডিও বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

ঘণ্টার মধ্যে খাশোগি হত্যার তদন্ত শেষ করতে হবে।

ইউসুফ বলেন, আমি টেলিভিশনে প্রেসিডেন্ট বুশের ছবি দেখেছি। ২০১৫ সালে আমি একটি ভিডিও তৈরি করি। সেটি করেছিলাম রিপাবলিকান রাজনৈতিক বেন কার্সনের এক বক্তব্যের প্রেক্ষিতে। তিনি জর্জ ডাব্লিউ বুশের মতো পোশাক পরতেন। রিপাবলিকান ওই রাজনৈতিক বর্তমানে ট্রাম্পের মন্ত্রীসভার সদস্য।

ঘণ্টার মধ্যে খাশোগি হত্যার তদন্ত শেষ করতে হবে।

বেন কার্সন বলেছিলেন, বলেছিলেন কোন মুসলিম যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডন্ট হতে পারবেন না। এই জাতির জন্যে আমি কখনো কোন মুসলিমকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখতে চাইবো না।

তার ওই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ইউসুফ বলেন, এটা আমার মোটেও পছন্দ হলো না। কারণ আমি তো প্রেসিডেন্ট হতে চাই। তিনি আমার স্বপ্ন গুড়িয়ে দিয়েছেন। তখন আমি মাকে বললাম, আমার হোমওয়ার্ক করতে এবং তারপর আমি একটা ভিডিও বানাবো। যার শিরোনাম হবে ‘আমি হবো আমেরিকার প্রথম মুসলিম প্রেসিডেন্ট’। এবং আপনি এটা নিজের চোখে দেখবেন।

ঘণ্টার মধ্যে খাশোগি হত্যার তদন্ত শেষ করতে হবে।

এরপর ইউসুফ ভিডিওটি তৈরি করে। পরে এটি ফেসবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরিকল্পনা তুলে ধরতে ইউসুফ একটি ইউটিউব চ্যানেল চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেখানে ইউসুফ তার পরিকল্পনা প্রকাশ করে ভিডিও ছাড়ে।

ঘণ্টার মধ্যে খাশোগি হত্যার তদন্ত শেষ করতে হবে।

ভিডিওতে ইউসুফ জানায়, আমি হাইস্কুলে পড়ালেখা শেষ করে কলেজে পড়তে চাই। অপরাধ বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে চাই। তারপর ল’ স্কুলে যেতে চাই। ল’ স্কুল শেষ করে তারপর কয়েক বছর আমি স্থানীয় কিছু অফিস চালাতে চাই। তারপর রাজ্যে, তারপর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এবং তারপর প্রেসিডেন্ট।

ঘণ্টার মধ্যে খাশোগি হত্যার তদন্ত শেষ করতে হবে।

ইউসুফ বলেন, আপনি যদি কিছু বদলাতে চান, জনগণের সঙ্গে কথা বলতে চান, তাহলে তাদেরকে সম্মান করতে হবে। আমার মনে হয় আমাদের এটার অভাব আছে। বিশেষ করে আজকের পৃথিবীর রাজনীতিতে। আমি এমন একজন প্রেসিডেন্টের জন্য অপেক্ষা করছি যিনি জাতি ও ধর্মের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণ ও ধর্ম বৈষম্য নিয়ে ইউসুফ বলেন, কৃষ্ণাঙ্গদের যে সীমা ছিল ওবামা সেটা ভেঙেছেন। মুসলমানদের নিয়ে যে সীমা আমি সেটা ভাঙবো। আমরা সবাই আমেরিকান, আমরা সবাই সমান।

Check Also

এবার যে দেশের সঙ্গে সৌদি আরবের চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেল !

কানাডার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে নিজেদের সব রোগীকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার কাজ শুরু করে দিয়েছে সৌদি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *